“আজকাল” পত্রিকার ক্রীড়া ও চিত্রসাংবাদিক রণজয় “রনি রায়” এর মৃত্যু নিয়ে উঠে গেল প্রশ্ন

খেলা সম্পাদকীয়
 ✒️ সায়ক ঘোষ চৌধুরী ঃ ২৪শে এপ্রিল ২০২০ অর্থাৎ গত শুক্রবার হঠাৎ করে তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল এম আর বাঙুর হাসপাতালে। .. ওখানেই হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়… এবং তারপরেই ঘনিয়ে ওঠে রহস্য। ..
(১) রাজ্য সরকারের তরফে “করোনা ” বলে স্বীকার করা হয় না
(২) মৃতদেহ বাড়ির লোককে ছাড়া হয় না… চুপি চুপি রাতের অন্ধকারে নিয়ে গিয়ে ধাপার মাঠে পুড়িয়ে দেওয়া হয়
(৩) মমতা ব্যানার্জী বাড়ির লোককে ১০ লক্ষ টাকা দেবেন বলে ঘোষণা করেন
(৪) “করোনায় মৃত” লিস্টে রণজয় রায়ের নাম নেই
বাড়ির লোক এবং বন্ধুদের প্রশ্ন,
(১) যদি মৃত্যু করোনায় না হয় তাহলে মৃতদেহ বাড়ির লোকের হাতে না তুলে দিয়ে ধাপার মাঠে নিয়ে গিয়ে তড়িঘড়ি সৎকার করে দেওয়া হলো কেন ?
(২) মমতা ব্যানার্জীর তরফে হঠাৎ ১০ লক্ষ টাকার ঘোষণা কিসের জন্যে ?
মমতা ব্যানার্জী “করোনা ” নিয়ে বালখিল্যপনা করে চলেছেন যা অনেক হতভাগ্য মানুষের জীবনে গভীর শূন্যতা রেখে চলে যাচ্ছে। .. যে সুস্থ মানুষটি ২-৩ দিন আগেই চলে ফিরে মজা করে বেড়াচ্ছিলেন, হঠাৎ তিনি “লাশ ” হয়ে গেলেন। .. কেন হলেন সেটা আত্মীয় – বন্ধুরা জানতেও পারলো না। ..
“করোনা আক্রান্ত মানুষের যথার্থ চিকিৎসার বদলে মৃতদেহ গায়েব করার এ কি অদ্ভুত বাসনা ? বদলে উৎকোচ দিলে কি মুখ বন্ধ রাখতে হবে?
রনি রায়ের মৃত্যু অনেক প্রশ্ন রেখে গেছে।.. সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হয়তো বা এই যে, “এই নামকরা ক্রীড়া সাংবাদিকের মৃত্যু নিয়ে যদি মমতা ব্যানার্জীর এই প্রতিক্রিয়া হয়, তাহলে সাধারণ ধনঞ্জয় মন্ডল বা আলম শেখের মৃত্যু নিয়ে উনি না জানি কি করে চলেছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের কোনো দায়বদ্ধতা নেই ?”
“লাশ গায়েবের রাজনীতি” আমরা নন্দীগ্রামে জমি আন্দোলনের সময় দেখেছিলাম।.. এক দশক বাদে আবার আবির্ভূত হয়েছে। ..
“মমতা ব্যানার্জীর সরকারের কঙ্কাল “-টি আলমারির মধ্যে বিচ্ছিরি ভাবে প্রকাশিত হয়ে পড়েছে …………….
Share this: